ইন্টারনেটচাকরিটিউটোরিয়ালবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করার নিয়ম

চাকরি খোঁজা, চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া, অথবা নতুন নতুন স্কিল অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে আরও যোগ্য করে তোলার অনন্য একটি প্লাটফর্ম লিংকডইন। লিংকডইন হল একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা মূলত ব্যবসায়ী, পেশাদার ব্যাক্তিত্ব এবং চাকরী প্রার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। লিংকডইন তাদের নিজেদের বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেশাগত নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে যার বর্তমান ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৭৫৬ মিলিয়নেরও বেশিলিংকডইনের বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারী থাকার পরেও ঠিক কত জন মানুষ সঠিক ভাবে প্লাটফর্মটি কাজে লাগাতে পারে এ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এজন্য কিছু বিষয় অবশ্যই অনুসরণ করা প্রয়োজন যেন আপনি খুব সহজেই এই বিশাল কর্মক্ষেত্রে সকলের নজরে আসতে পারেন। আর ঠিক এজন্যই আপনাদের সহায়তার উদ্দেশ্যে এই আর্টিকেলটি সাজানো হয়েছে। 

এই আর্টিকেলটি থেকে আপনি শিখতে পারবেন কিভাবে একটি লিংকডইন একাউন্ট খুলতে পারেন, একটি আদর্শ প্রোফাইল তৈরি করতে পারেন এবং আপনার প্রফেশনাল কানেকশন বৃদ্ধি করতে পারেন।

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন?

সাইন আপ

লিংকডইন এর সর্বোৎকৃষ্ট ব্যবহার শেখার আগে আপনাকে এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একটি লিংকডইন একাউন্ট তৈরি করতে হবে যার মাধ্যমে আপনি লিংকডইন এর একজন ব্যাবহারকারি হয়ে উঠতে পারবেন।

একাউন্ট খুলতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১

১) লিংকডইন একাউন্ট খোলার জন্য আপনার প্রথমেই প্রয়োজন হবে একটি ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড।

২) লিংকডইনের হোমপেজে (https://www.linkedin.com/) প্রবেশ করার পর ওয়েবসাইটের ডান দিকের উপরের কোণায় “যুক্ত হন” অথবা “Join now” লেখাটির উপরে ক্লিক করুন।

৩) এবার আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিন এবং “Agree and join” এর উপরে ক্লিক করুন।

৪) প্রোফাইলটি শুরু করার জন্য আপনার কাছে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হবে। এই তথ্যগুলো আপনার সম্পর্কে অন্যদের প্রাথমিক ধারণা দিতে সাহায্য করবে। তাই যেসব প্রশ্ন সেখানে দেওয়া থাকবে তার উত্তরগুলো গুছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। সবগুলো তথ্য পূরণ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনার প্রয়োজন এবং কাজের পরিধি অনুসারে যেকোনো সময়ই এগুলো আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন। তাই সুন্দর করে যুক্তিযুক্তভাবে উপস্থাপন করুন। 

লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করুন

একাউন্ট তৈরি করার পর আপনার কাজ হল প্রোফাইলের অন্যান্য অংশগুলো সম্পূর্ণ করা। লিংকডইন প্রোফাইলটি আসলে ভার্চুয়াল সিভি অথবা রিজিউম যেটি আপনি বিভিন্ন চাকরীর আবেদনের ক্ষেত্রে জমা দিয়ে থাকেন অনেকটা সেরকমই। কারণ এই প্রোফাইল এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি চাকরির নিয়োগকারীদের নজরে আসতে পারবেন। তাই সাধারণত সিভি জমা দেওয়ার সময় আপনি যেসব তথ্য দিয়ে থাকেন, যেমন পূর্ব অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, শিক্ষা ইত্যাদি তথ্যসমূহ এখানেও সেরকমভাবেই উল্লেখ করুন।

প্রোফাইলের অংশসমূহ

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ২

আপনার প্রোফাইলে সাতটি অংশ দেখতে পাবেন।

১) Intro : আপনার নাম এবং বর্তমানে কোন পেশায় নিয়োজিত আছেন এমন সাধারণ তথ্য দিন।

২) About : আপনার পরিচিতি এবং দক্ষতা সম্বলিত বিস্তারিত লিখুন।

৩) Featured: আপনি কৃতিত্বের সাথে যেসকল প্রজেক্ট কিংবা যেকোনো কাজ সম্পূর্ণ করেছেন সেগুলো সম্পর্কে লিখুন।

৪) Background: আপনার পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা বিষয়ক তথ্য দিন।

৫) Skills: আপনি কোন কোন বিষয়ে দক্ষ সেগুলো উল্লেখ করুন।

৬) Accomplishments: আপনার সার্টিফিকেট, পুরস্কার এবং প্রকাশনা গুলো (যদি থাকে) উল্লেখ করুন।

৭) Additional information: এই পর্যায়ে আপনি ইচ্ছা অনুযায়ী আপনার শখ, আগ্রহ ইত্যাদি ব্যাপারগুলো তুল ধরতে পারেন।

Intro

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ৩

আপনার প্রোফাইলে প্রথমেই সকলের সামনে আসবে ইন্ট্রো বা ভূমিকা অংশটি। তাই এই অংশটি অনেক বেশিই গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনার সম্পর্কিত মূল তথ্যগুলো যেমনঃ নাম, বর্তমানে কোন পেশায় নিয়োজিত আছেন কি না, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বর্তমান ঠিকানা ইত্যাদি সংযোজন করুন।

হেডলাইন বা শিরোনামের মাধ্যমে নজর কাড়ুন

প্রোফাইলের ইন্ট্রোতে একটি এক লাইনের শিরোনাম যোগ করুন যার মাধ্যমে সহজেই আপনার প্রোফাইল পরিদর্শনকারী আপনার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং আপনার প্রতি আগ্রহী হন। একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করতে এই বিষয়টির প্রতি অবশ্যই জোর দেওয়া উচিৎ। এতে আপনার প্রোফাইল পরিদর্শন করে প্রথমেই আপনার প্রতি ভালো মনোভাব তৈরি হবে। আর একটা কথা তো আছেই যে প্রথম অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ফটো বা ছবির মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিত্ব প্রদর্শন করুন

আপনার প্রোফাইলের ইন্ট্রোতে আপনার ছবিও সকলে দেখতে পাবে। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে  ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছবি সম্বলিত প্রোফাইল ছবিবিহীন প্রোফাইলগুলোর তুলনায় ২১ গুণ বেশি পরিদর্শিত হয় এবং ৯ গুণ বেশি যোগাযোগ গড়ে তোলার অনুরোধ পেয়ে থাকে। তাই এই ব্যাকগ্রাউন্ড ফটো কিংবা প্রোফাইলে মার্জিত ছবি ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্ব অন্যদের তুলনায় ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলুন।

ছবি সংযুক্ত করুন

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ৪

১) এমন একটি ছবি সংযুক্ত করুন যেখানে আপনার চেহারা পরিপূর্ণ আলোতে ভালোভাবে ফোকাস করা থাকে এবং অন্য কোনো দৃষ্টিকটু উপাদান যেন না থাকে।

২) প্রোফাইলে যে স্থানে ক্যামেরা চিহ্ন আছে সেখানে ক্লিক করে কভার ব্যানার এবং প্রোফাইল ছবি আপলোড করুন।

নিয়োগকারীদের নজরে আসার জন্য করণীয়

নতুন সুযোগের অপেক্ষায় যারা আছেন তাদের জন্য অর্থাৎ যাদের আমরা “ফ্রেশার” বলে থাকি প্রথমদিকে বিভিন্ন নিয়োগকর্তাদের নজরে আসা তাদের জন্য কিছুটা কঠিন। তাই এক্ষেত্রে কিছু সহজ উপায়ের বর্ণনা নিচে দেওয়া হল-

১) ইন্ট্রোতে দেওয়া আপনার হেডলাইন বা শিরোনাম সবসময় আপডেট করুন যেনো সহজেই বোঝা যায় যে আপনি নতুন কোনো প্ল্যাটফর্ম খুঁজছেন।

২) আপনি কোন ধরণের প্ল্যাটফর্মের প্রতি বেশি আগ্রহী সেগুলো উল্লেখ করতে পারেন। এতে নিয়োগকর্তাবৃন্দ বুঝতে পারবেন যে আপনি এক্ষেত্রে অত্যন্ত সক্রিয়।

ইন্ট্রো এডিট করার ক্ষেত্রে করণীয়

ইন্ট্রো সবসময়ই প্রয়োজন অনুযায়ী আপডেট করা উচিৎ।আপনি যদি নতুন কোনো কাজের ক্ষেত্রে যোগদান করেন তবে অবশ্যই সেটা নিজের প্রোফাইলে যোগ করবেন আপনার ক্যারিয়ারের স্বার্থে। আর আপনি খুব সহজেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই এটা করতে পারেন।

১) আপনার প্রোফাইল ফটোর নিচে পেন্সিল চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করুন।

২) যে তথ্যগুলো পরিবর্তন অথবা নতুন যোগ করা প্রয়োজন সেগুলো করুন।

About

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ৬

এই অংশটিতে আপনার সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখুন। বলতে পারেন আপনার প্রোফাইলের শিরোনামে এক লাইনে যা লিখেছেন তার বিস্তারিত লিখুন এখানে। আর সেটা এভাবেই লিখুন যেনো তা দৃষ্টিনন্দন হয় এবং আপনার সম্পর্কে খুব ভালো মনোভাব পোষণ করতে সহায়ক হয়।

আপনি এতে লিখতে পারেন-

১) আপনার উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ, যেগুলো আপনি বিভিন্ন প্রজেক্টে সাফল্যের সাথে সম্পূর্ণ করার জন্য পেয়েছেন।

২) আজকের পর্যায় পর্যন্ত আসার জন্য আপনাকে যে পথ পাড়ি দিতে হয়েছে তা উল্লেখ করতে পারেন। এতে আপনার অভিজ্ঞতার ধারা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। সাধারণ সিভিতে এই বিষয়গুলো আসলে অজানাই থেকে যায়। তাই লিংকডইন চাকরী প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক।

৩) আপনার মূলনীতি সমূহ যেগুলো আপনি কাজের ক্ষেত্রে মেনে চলেন এবং সেগুলোর উপর ভিত্তি করে আপনি পেশাগত জীবনের লক্ষ্য গুলো ঠিক করেছেন।

৪) আপনি যে প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে চান সেটার জন্য আপনি কতটা নিবেদিত। যখন আপনি নতুন কোনো চাকরি খুঁজবেন এই বিষয়গুলো আপনাকে সঠিক মানুষের নজরে পড়তে সাহায্য করবে।

সারসংক্ষেপ যুক্ত করুন

সারসংক্ষেপ যুক্ত করার জন্য-

১) “Add profile section” অপশনে ক্লিক করুন।

২) “About” অপশনে ক্লিক করুন বিস্তৃত অংশ পাওয়ার জন্য।

৩) “Summary” অপশনে ক্লিক করুন এডিট অর্থাৎ সংযুক্ত বা পরিবর্তন করার জন্য।

Featured

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ৭

এক্ষেত্রে আপনি উল্লেখ করবেন সেই সকল কাজগুলো যেগুলো আপনাকে অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় অন্যতম হিসেবে প্রমাণ করতে সাহায্য করবে। “Add features” অপশনে ক্লিক করুন এই তথ্যগুলো যুক্ত করার জন্য।

যেসব বিষয় উল্লেখ করবেন-

১) আপনার বিভিন্ন স্ট্যাটাস এবং প্রকাশনা; যেগুলো আপনার লিংকডইন প্রোফাইল আপনি আপলোড করেছেন।

২) বিভিন্ন প্রজেক্ট অথবা ওয়েবসাইটের লিংক যেগুলো আপনার মেধা এবং সাফল্য প্রকাশ করে।

৩) বিভিন্ন ছবি, ডকুমেন্ট অথবা প্রেজেন্টেশন। 

সর্বোপরি আপনার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে এবং আপনার দক্ষতা প্রকাশে সহায়ক এমন যেকোনো কিছুই আপনি এখানে যোগ করতে পারেন।

আপনার প্রোফাইলের মূল অংশকে দৃষ্টিনন্দন করুন

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ৮

আপনার প্রোফাইলের হেডার অংশ অর্থাৎ যে অংশটি আপনার প্রোফাইল পরিদর্শন করার সময় প্রথমেই সামনে আসবে তার মধ্যে রয়েছে Intro, About এবং Featured. 

কিছু  নিয়ম অনুসরণে আপনি এই অংশগুলো আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন-

  • প্রোফাইল ছবির মাধ্যমে মনোযোগ আকর্ষণ করুন। এমন একটি ছবি সংযুক্ত করুন যেখানে আপনার সুস্পষ্ট চেহারায় মৃদু হাসি পরিলক্ষিত হয়, কুরুচিপূর্ণ অথবা বিরক্তিকর কিছু না থাকে এবং ছবিটি যেনো আপনার সাম্প্রতিক ছবি হয়। 
  • সেলফি, ছবিতে আপনি ব্যতিত অন্য কারো উপস্থিতি কিংবা এমন কিছুর উপস্থিতি যেটা আপনার মুখের অবয়বের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে বাধাদান করে এরকম ছবি অবশ্যই ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে আপনার চেহারায় ফোকাস করার ক্ষেত্রে ছবি ক্রপ করার মাধ্যমে ছোট করে আনুন।
  • প্রোফাইলের ব্যাকগ্রাউন্ড ছবিতে ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উৎফুল্লতা ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করুন প্রোফাইল ছবির মাধ্যমে আপনার কোনো বিশেষ সাফল্যের মুহূর্ত কিংবা কোন কাজের প্রতি আপনি আগ্রহী এমন কিছু ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করুন। আপনি যে কাজের সাথে জড়িত অথবা যে কাজের প্রতি আগ্রহী, আপনার ছবির সাথে সেই বিষয়টি সম্পর্কিত হওয়া উচিৎ।
  • আপনার “About” অংশের মাধ্যমে আপনার সম্পূর্ণ পরিচিতি এবং আপনার পদক্ষেপ গুলো তুলে ধরুন। 
  • গতানুগতিক সিভির মত না করে আপনার প্রোফাইলের মাধ্যমে সবাইকে বুঝতে সাহায্য করুন যে আপনি কীভাবে এই পর্যন্ত এসেছেন এবং ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে কী কী শিখেছেন।
  • আপনি আপনার কাজের প্রতি কতটা নিবেদিত এবং কৌশলী এবং আপনার লক্ষ্য কী সেগুলো বর্ণনা করুন।

“Featured” অংশটিতে আপনার ব্যাপারে আরও পরিষ্কার ধারণা দেয়ার চেষ্টা করুন।

  • আপনি কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে কতটা সুশৃঙ্খল এবং আপনার পেশাগত জীবনের উদ্দেশ্যসমূহ বিশেষ ভাবে তুলে ধরুন।

Background 

এই অংশটিতে আপনি উল্লেখ করবেন আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, সার্টিফিকেট, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি।

প্রথমবার কোনো তথ্য লেখার ক্ষেত্রে-

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ৯

১) “Add profile section” এ ক্লিক করুন।

২) যে তথ্যটি আপনি দিতে চান সেটায় ক্লিক করুন, যেমন-অভিজ্ঞতা

৩) আপনার অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করার জন্য বিভিন্ন অপশন দেখতে পাবেন এবং সেগুলো যথার্থভাবে পূরণ করুন। সবগুলো পূরণ করতে হবে এর কোনো মানে নেই।যে বিষয়গুলো আপনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ সেগুলোই পূরণ করবেন।

৪) যে তথ্যগুলো আপনি দিয়েছেন খেয়াল রাখবেন তা যেনো যথাযথভাবে উল্লেখিত হয় কারণ এগুলোই আপনি পেশাগত জীবনে কেমন তা বুঝতে সাহায্য করবে এবং একইসাথে আপনাকে ভালো প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সুযোগটি আরও বিস্তৃত করবে।

ব্যাকগ্রাউন্ড অংশ লেখার জন্য কিছু টিপস

শুরুতে আপনার সিভি ব্যবহার করুন

  • সিভিতে যে বিষয়গুলো আপনি সচরাচর উল্লেখ করে থাকেন সেগুলো উল্লেখ করার পাশাপাশি আপনার কাজগুলোর বিস্তারিত তথ্যও আপনি উল্লেখ করুন যেমন আপনি যে কাজে নিয়োজিত আছেন সেখানে আপনার ভূমিকা এবং দায়িত্বসমূহ কী। বিস্তারিত তথ্যগুলো অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।
  • পরিমাণের চেয়েও গুণগত দিকটায় বেশি জোর দিতে হবে। প্রয়োজনে আপনি অনেক তথ্য উল্লেখ না করে শুধু একটি অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করুন।কিন্তু সেটা যেনো যথেষ্ট সাজানো এবং তথ্যসমৃদ্ধ থাকে।

আপনার প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১১

  • আপনি কোন কাজটি  দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেছেন বা সাফল্য অর্জন করেছেন তা উল্লেখ করুন।
  • আপনি যেসকল প্রজেক্ট নিজে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছেন অথবা যেসকল প্রজেক্ট সঠিকভাবে সমাপ্ত করতে অন্য কাউকে সহায়তা করছেন তার প্রেজেন্টেশন, ছবি,ডকুমেন্ট,ওয়েবসাইট, ব্লগ ইত্যাদি উল্লেখ করুন। খেয়াল করুন কীভাবে একজন মানুষ তার অভিজ্ঞতা সমূহ তার কাজের সাথে সম্পর্কিত করছেন।

প্রোফাইলের সবকিছু যেন সহজেই পড়া যায় এমনভাবে গড়ে তুলুন

  • কুরুচিপূর্ণ কিংবা অত্যন্ত কঠিন শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এমন শব্দ এবং বাক্য ব্যবহার করুন যেনো তা সহজেই সকলে বুঝতে সক্ষম হয়।
  • সুস্পষ্টভাবে এবং সংক্ষেপে লিখুন। প্রোফাইল তৈরি করার সময় আপনার মাথায় রাখতে হবে যেনো আপনার প্রোফাইল যিনি দেখবেন তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বুঝতে পারেন আপনার দক্ষতা সম্পর্কে এবং শব্দের বাহুল্যের কারণে কিংবা অপ্রয়োজনীয় তথ্যবহুল হওয়ায় আপনার প্রোফাইল দেখার সময় তিনি যেনো বিরক্ত না হন।
  • আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড অংশটিতে যেনো কোনো শব্দ বা ব্যকরণজনিত ভুল না থাকে সেটা খেয়াল রাখবেন।

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১২

আপনার প্রোফাইল কতটা শক্তিশালী তা পর্যালোচনা করুন-

  • প্রোফাইল কতটা শক্তিশালী তা যাচাই করতে “Profile strength meter” ব্যবহার করুন।এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই বুঝতে হবে যে প্রোফাইল শক্তিশালী বলতে কী বোঝায়। এর অর্থ আপনার প্রোফাইল উত্তমরূপে গোছানো হতে হবে যেনো যে কেউ তা দেখার সাথে সাথেই আপনার প্রতি আগ্রহী হয়। আর এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই প্রোফাইলগুলো কম শক্তিশালী প্রোফাইলগুলোর তুলনায় বেশি পরিচিতি, চাকরীর বিভিন্ন আপডেট, যোগাযোগ বিস্তৃতির সুবিধা ইত্যাদি বেশি পেয়ে থাকে।
  • অভিজ্ঞতা, ভলিন্টিয়ারি কাজসমূহ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সার্টিফিকেট এগুলো লেখার মাধ্যমে প্রোফাইল শক্তিশালী করা সম্ভব।

কোন অংশ এডিট করার উপায়

আপনার বর্তমান তথ্যসমূহ পরিবর্তন কিংবা নতুন তথ্য সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এডিট করার প্রয়োজন হতে পারে।

যেকোনো অংশ পরিবর্তন করতে

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১৩

১) +icon লেখাটির উপর ক্লিক করুন যদি আপনি নতুন তথ্য যোগ করতে চান।

২) যে তথ্য ইতিমধ্যে আপনি যুক্ত করেছেন কিন্তু তাতে পরিবর্তন আনতে চান সেক্ষেত্রে পেনসিল চিহ্নের উপরে ক্লিক করতে হবে।

Skills and Accomplishments

এই অংশে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে আপনার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য কাজগুলো বা বিভিন্ন এওয়ার্ড যেগুলো আপনি সাফল্যের জন্য অর্জন করেছেন অথবা এমন কিছু যেটা আপনাকে সবার মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিতি পেতে সাহায্য করবে। আপনার বিভিন্ন ভাষায় কথা বলার দক্ষতা থাকলে সেটিও এ অংশের জন্য উপযুক্ত। যদিও এই অংশটি আবশ্যিক নয়, তবে প্রোফাইলে পাঁচটির বেশি দক্ষতার উপস্থিতির কারণে আপনি অন্য প্রোফাইলগুলোর তুলনায় ২৭ গুণ বেশি সুযোগ সুবিধা পেতে পারেন।

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১৪

আপনার দক্ষতাগুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করার চেষ্টা করুন

দক্ষতার যে তালিকা আপনি তৈরি করবেন সেটা বিভিন্ন রকম হতে পারে। সেটা কোনো বিশেষ পেশা যেমনঃ ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে দক্ষতা হতে পারে। অথবা নেতৃত্ব দানের মত প্রতিভা হতে পারে। আবার মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে আপনি তুখোড় পারদর্শী এমনও হতে পারে। যখন আপনার নেটওয়ার্ক বা যোগাযোগ ক্রমাগত বাড়তে থাকবে তখন বিভিন্ন নিয়োগকারী তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অনুযায়ী আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। অর্থাৎ আপনার জন্য বহুমুখী কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

দক্ষতা সংযুক্ত করতে যা করবেন

১) আপনার প্রোফাইলে নীল রঙের “Add profile section” অংশে ক্লিক করতে হবে।

২) নিচের দিকে যেখানে “Skills and accomplishments” লেখা আছে সেখানে ক্লিক করুন।

৩) এর পরে এর অভ্যন্তরীণ যে অংশে আপনি আপনার তথ্য যোগ করতে চান সেখানে ক্লিক করুন,উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, Publications.

নিম্নোক্ত দক্ষতাগুলো আপনি উল্লেখ করতে পারেন বিশেষভাবে নজরে আসতে-

১)মার্কেটিং

২) ডিজিটাল মার্কেটিং

৩) সামাজিক মাধ্যমে মার্কেটিং 

৪) কন্টেন্ট মার্কেটিং 

৫) ব্র‍্যান্ড ব্যবস্থাপনা

৬) প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনা

৭) অনলাইন বিজ্ঞাপন

Accomplishments বা সম্পাদিত কাজসমূহ

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১৫ 

এই অংশে আপনি আপনার যেকোনো কোর্স সম্পূর্ণ করার সার্টিফিকেট কিংবা কোনো প্রজেক্ট সম্পূর্ণ করার স্বীকৃতি উল্লেখ করতে পারেন।মনে রাখবেন, প্রকৃতপক্ষে এই প্রোফাইলটির মাধ্যমে আপনি আপনার সমগ্র বিষয় মোট কথা আপনাকেই উপস্থাপন করছেন।

 ডান কোণার পেনসিল চিহ্নতে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনি প্রয়োজন অনুসারে যেকোনো সময় এই তথ্যগুলো পরিবর্তন করতে পারেন।

আপনার দক্ষতা এবং সম্পাদিত কাজসমূহকে প্রোফাইলে হাইলাইট বা বুদ্ধিমত্তার সাথে উল্লেখ করার পাশাপাশি সবার নজরে যেনো তা পড়ে সে ব্যাপারেও আপনাকে একটু কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

আপনার প্রতি করা সুপারিশ সমূহ উল্লেখ করুন

  • আপনার কাজগুলোর মধ্যে থেকে আপনার সহকর্মী কিংবা অন্যদের থেকে যেসকল কাজে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন সেগুলো যেনো বিশেষভাবে নজর কাড়ে এমনভাবে লিখুন।
  • আপনার প্রোফাইল যারা পরিদর্শন করবেন তাদের জন্য আপনি একটি অনুরোধ রাখতে পারেন যেনো আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী তারা আপনাকে সুপারিশ করেন। এমন কাউকে নির্বাচন করুন যে আপনার সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এবং ভালোভাবে বর্ণনা করতে পারেন। যদি এমন কোনো দক্ষতা থাকে যেটি আপনি শুধু নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে জানাতে চান তবে তাকে ব্যক্তিগতভাবে মেসেজ করুন।
  • যে অনুমোদন এবং সুপারিশ গুলো আপনার কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শুধু সেগুলো উল্লেখ করুন। অতিরিক্ত তথ্য সংযুক্ত করতে গিয়ে বিরক্তির সৃষ্টি যেনো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

আপনার দক্ষতাগুলো মূল্যায়নের মাধ্যমেও উল্লেখ করুন

  1. দক্ষতা মূল্যায়নের বিভিন্ন পরীক্ষা এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনি এ সম্পর্কিত যেকোনো কুইজে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং সেটা সম্পন্ন করার পরে যে ব্যাজ পাবেন সেটা প্রোফাইলে যুক্ত করতে পারেন।

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১৬

বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করুন

অভিনন্দন! এই পর্যায়ে এসে আপনার প্রোফাইল পেশাগত ভিত্তিতে উল্লেখ্য হতে চলেছে। ইতিমধ্যে আপনি একটি শক্তিশালী প্রোফাইল গড়ে তুলেছেন এবং এখন আপনাকে মনোযোগী হতে হবে সেরকমই শক্তিশালী এক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রতি। আপনার আগ্রহের সাথে মিলসম্পন্ন বিভিন্ন শিল্প, কোম্পানি, উক্ত ক্যারিয়ার সম্বলিত বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন জ্ঞান আহরণ করুন। এতে আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি ভারী হবে।

লিংকডইন ব্যবহারের টিপস

প্রফেশনাল হোন 
  • আপনি কর্মক্ষেত্রে যেমন আপনার প্রোফাইলটিকেও ঠিক তেমন ভাবেই তথ্য সম্বলিত এবং ব্যবহার করুন।
  • কাউকে মেসেজ পাঠানোর ক্ষেত্রে কিংবা কোনো মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সচেতন হন যেনো তাতে অনানুষ্ঠানিক বা informal  ব্যবহারের পরিচয় না পাওয়া যায়।
যোগাযোগ বা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর চেষ্টা করুন-
  • আপনি যাদের চেনেন তাদের মাধ্যমে এ কাজটি শুরু করুন। প্রথম ক্ষেত্রে আপনার পরিচিত যাদের নম্বর মোবাইল ফোনে আছে তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ বৃদ্ধি করুন।
  • যোগাযোগ বৃদ্ধির অনুরোধ বা “connection request” পাঠানোর সময় যে মেসেজগুলো পাঠাবেন তা যেনো যথেষ্ট মার্জিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব না পেলে সেটি বাদ দিয়ে অন্যান্য জায়গায় চেষ্টা করবেন না। ধৈর্য্য ধরুন।
  • আপনার যে সংখ্যক যোগাযোগ আছে তা আরও বৃদ্ধি করতে সার্চ অপশনের সাহায্য নিন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আপনি যে কোম্পানি বা যে জায়গায় কাজ করতে ইচ্ছুক সেখানকার মানুষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করুন, জানতে চেষ্টা করুন তাদের কাজের ধারা কেমন। কারও সাথে যদি আপনার খুবই ন্যুনতম পরিচয় থাকে এবং তার সাথে আপনি দেখা করতে আগ্রহী,তবে মধ্যস্থতাকারী কোনো ব্যক্তিকে অনুরোধ করুন পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।
  • আপনার আগ্রহের বিষয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হন। এতে আপনি বিভিন্ন মানুষের সাথে পরিচিত হতে পারবেন এবং আপনার প্রয়োজন তাদের জানাতে পারবেন যার মাধ্যমে চাকরীর ব্যাপারে সবচেয়ে আপডেট তথ্যগুলো আপনি সহজেই পেয়ে যেতে পারেন।
আপনি যাদের সাথে যোগাযোগ করে থাকেন সাধারণত সেখানে সর্বদা সক্রিয় থাকুন
  • স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ গড়ে তুলুন,জোর করে নয় বা বিরক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে নয়। অর্থাৎ কেউ আপনার মেসেজের কারণে বিরক্ত হচ্ছে এমন মনে হলে তাকে অযথা পুনরায় মেসেজ দিবেন না।
  • বিভিন্ন পোষ্ট, ছবি প্রভৃতিতে বাস্তবধর্মী এবং মার্জিত মন্তব্য করুন যার মাধ্যমে গঠনমূলক আলোচনা করতে পারবেন।
  • যোগাযোগ গড়ে তোলার জন্য মেসেজ এবং কমেন্টের উত্তর সঠিকভাবে এবং যথাযথভাবে দিন যাতে আপনার উন্নত চিন্তাধারার পরিচয় পাওয়া যায়।
  • আপনার পরিচিত ব্যক্তির সুপারিশ করার মাধ্যমে সমর্থন করুন এবং তাদেরকেও বলুন আপনার ক্ষেত্রে এই কাজটি করতে।
  • বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের মানুষের সাথে যোগাযোগ গড়ে তুলুন যাতে তারা আপনার জন্য প্রয়োজনীয় গ্রুপ গুলোতে যুক্ত হতে সহায়তা করে।
আপনার লিংকডইন প্রোফাইলে বিভিন্ন কন্টেন্ট লিখুন এবং শেয়ার করুন

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১৬

  • আপনার কর্ম প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো সকলের সামনে তুলে ধরুন।বিভিন্ন কন্টেন্ট শেয়ার করার সময় সেগুলোর সাথে সম্পর্কিত গঠনমূলক প্রশ্ন করুন যেটা আপনাকে বিষয়টি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত ভাবে জানতে সাহায্য করবে।
  • সপ্তাহে অন্তত একদিন কিছুটা সময় দেওয়ার মাধ্যমে আপনার পরিচিতদের মাঝে সক্রিয় থাকুন।তবে দিনে একটির বেশি অপ্রয়োজনীয় পোষ্ট করে শুধু শুধু অন্যের প্রোফাইলের বিরক্তির কারণ হবেন না।
  • আপনার কর্মক্ষেত্রের সাথে সম্পর্কিত কিংবা সমসাময়িক যেকোনো বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখতে পারেন যেখানে আপনি আপনার মতামত প্রকাশ করবেন।
নেতাস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং হ্যাশট্যাগগুলো অনুসরণ করুন
  • আপনার কর্মক্ষেত্র কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রে যারা উচ্চ পর্যায়ে আছেন তাদের পোষ্টগুলো থেকে বিভিন্ন পন্থা বা নিয়মনীতি শেখার চেষ্টা করুন। তাদের পোষ্টগুলোর আপডেট রাখুন।
  • লিংকডইন এ কোন বিষয়গুলো নিয়ে বেশি আলোচনা চলছে সেসকল হ্যাশট্যাগগুলোর ব্যাপারে নজর রাখুন। যেমন আপনি যদি উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী হন তবে সৃষ্টিশীল বা “ইনোভেটিভ” হ্যাশট্যাগগুলো দেখতে পারেন।
আপনার প্রোফাইল সবসময় আপডেট রাখুন

কিভাবে একটি আদর্শ লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করবেন। ধাপঃ ১৭

  • কোনো নতুন কাজে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে কিংবা নতুন প্রজেক্টের সম্পাদনার মাধ্যমে আপনার সিভি সবসময় পরিবর্তন হবে। তাই লিংকডইন প্রোফাইল সেভাবে আপডেট করুন অর্থাৎ নতুন তথ্য যোগ করুন।
  • আপনার সর্বশেষ অর্জনসমূহ উল্লেখ করতে ব্যাকগ্রাউন্ড সবসময় আপডেট করুন।
  • আপনি যখন যথেষ্ট শক্তিশালী প্রোফাইল গড়ে তুলতে পারবেন বিভিন্ন অভিজ্ঞতা দিয়ে, তখন একদম পুরোনো অভিজ্ঞতাগুলো যেগুলো বর্তমানে প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন সেগুলো প্রোফাইল থেকে বাদ দিন।
  • আপনি যেনো সহজেই সবার নজরে আসতে পারেন সেজন্য আপনার ক্ষেত্রে উপযোগী নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড যুক্ত করুন।

উপসংহার

চাকরীর ক্ষেত্রে লিংকডইন ক্রমেই আরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমে পরিণত হচ্ছে। দিন দিন এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। আপনি একজন প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারেন যিনি তার প্রতিষ্ঠানের জন্য দক্ষ এবং মেধাবী মানুষ খুঁজছেন অথবা আপনি চাকরীর জন্য হন্যে হয়ে ঘোরা একজন ব্যক্তিও হতে পারেন। উভয় ক্ষেত্রেই লিংকডইন এর সহায়তা এই বৃহৎ পরিসরে কাজ করা সহজ করে দেয়।

লিংকডইন জগতের সঠিক ব্যবহার আপনাকে আরও উন্নত ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যত সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে। আর সেক্ষেত্রে অবশ্যই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেওয়া আবশ্যক। তাই শুভ কামনা রইল আপনার লিংকডইন জগতের মাধ্যমে গড়ে তোলা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

👍 নিয়মিত পোস্ট পেতে এখনই ফলো করুন 👍


This will close in 10 seconds